মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন, যা নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারের উপর গুরুত্বারোপ করে। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) স্বাক্ষরিত এই আদেশে বলা হয়েছে, ভোটার নিবন্ধনের সময় নাগরিকত্ব প্রমাণ এবং ব্যালট পেপার নির্বাচন দিনেই গ্রহণ করতে হবে।
২০১৬ সালে নির্বাচনে জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প নিয়মিতভাবে নির্বাচনে কারচুপি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। ২০২০ সালের নির্বাচনের পর তিনি অভিযোগ করেন যে, ভোটদান পদ্ধতির বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেন।
নির্বাচনী ব্যবস্থার পরিবর্তন নিয়ে ট্রাম্পের এই নতুন উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও সহজ করা এবং ভুয়া নির্বাচন ব্যবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার পরিকল্পনা। হোয়াইট হাউসে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার সময় ট্রাম্প বলেন, "আমরা গত নভেম্বরে নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হলেও, নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও সহজ করতে হবে। ভুয়া নির্বাচন ব্যবস্থা দেশকে অসুস্থ করে ফেলেছে। আমরা যে কোনওভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও সহজ করব।"
নির্বাচনী আদেশে মৌলিক নির্বাচনী সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে অঙ্গরাজ্যগুলোকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং নির্বাচনী অপরাধের বিচার কার্যক্রমে সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি নির্বাচন কর্মকর্তারা এই নির্দেশনা মেনে না চলেন, তবে সরকারি তহবিলের তহবিল প্রত্যাহার করা হতে পারে।
এদিকে, বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশকে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার অপব্যবহার বলে সমালোচনা করেছেন। তাদের দাবি, এই আদেশের ফলে লক্ষ লক্ষ আমেরিকান ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। অধিকার গোষ্ঠীগুলোও এই আদেশকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করার ঘোষণা দিয়েছে।